প্রথম পাতা বিনোদন

নারী দিবস: নতুন পথের দিশায় স্বস্তিকা মুখোপাধ্যায়, ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত, নুসরত জাহান আর রাইমা সেন

নিজস্ব প্রতিনিধি : বলতেই পারেন অনেকে- আন্তর্জাতিক নারী দিবস বলে বছরে স্রেফ একটা দিন নারীর অধিকারের জিগির তুলে লাভ নেই! কিন্তু কোথাও একটা গিয়ে কথাটা যে মনে না করিয়ে দিলেও নয়। যা খুব সদর্থক ভাবে তুলে ধরেছেন টলিউডের চার কন্যা- স্বস্তিকা মুখোপাধ্যায়, ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত, নুসরত জাহান আর রাইমা সেন!

শুক্রবার নারী দিবসে ফের একবার মুখ খুললেন তিনি। সোশ্যাল মিডিয়ায় তাঁর বক্তব্য নিয়ে চর্চা চলল দিনভর।

স্বস্তিকা সোশ্যাল মিডিয়ায় নিজের একটি ছবি পোস্ট করে লিখেছেন, ‘আমি এই ছবিটা ইনস্টাগ্রামে পোস্ট করেছিলাম। অনেকেই স্তন নিয়ে প্রশ্ন করছে!… সব সময় পুরুষরা মেয়েদের স্তন নিয়েই শুধু প্রশ্ন করে কেন? …আমি একজন গর্বিত মা। আমি পাম্প ব্যবহার করিনি।’

স্বস্তিকার মেয়ে অন্বেষা কলেজ পড়ুয়া। মেয়ে তাঁর বন্ধু। মাতৃত্বের পরে মেয়েদের শারীরিক কিছু পরিবর্তন স্বাভাবিক। তা নিয়েও যাঁরা প্রশ্ন তুলেছেন, তাঁদের সপাট জবাব দিয়েছেন অভিনেত্রী।

নারী যেমন অর্ধেক আকাশ, তেমনই সে বিকশিত আলোও। সে কথাটারই খেই ধরিয়ে দিয়েছেন নুসরত জাহান। সূর্যোদয়ের দ্যোতনার সঙ্গে কসুর করেননি লিখে জানাতে- নারীর হৃদয় আলোর অনন্ত উৎস; জীবনের অন্ধকারতম পথটিকেও সে আলোকিত করার ক্ষমতা ধরে! বুঝে নিতে অসুবিধে হয় না- প্রাত্যহিকতার সঙ্গে জড়িয়েই নারীর প্রাধান্য প্রতিষ্ঠা করেছেন নায়িকা।

ঋতুপর্ণা সেনগুপ্তর পোস্টে কি ফুটে উঠেছে একটু দেবী ভাব? সেই শ্বেত আবিলতা আর পবিত্রতার বাঁধাধরা গণ্ডির আভাস? থাকলে দোষের কী! যে নারী ভ্রূণ দশা থেকেই অবহেলার শিকার, তার প্রাতিষ্ঠানিকতার দিকটি যে জোরালো না হলেই নয়। তাই নায়িকার বক্তব্যেও ফুটেছে শক্তির কামনা। প্রার্থনা করেছেন তিনি- এই সমাজের নারী যেন বলিষ্ঠ হয়, তাদের যেন সে ভাবেই বড়ো করে তুলতে পারে পরিবার!

রাইমা সেনের এই নারী দিবসে কৃতজ্ঞতা কেবলই মা মুনমুন সেনের প্রতি! মা থেকে যে মাননা বোধ, তাই যে জীবনের সব বাধা কাটিয়ে এগিয়ে যাওয়ার মন্ত্র। ফলে, এই দিনটি তিনি উৎসর্গ করেছেন মাকেই, তাতেই তাঁর নারীত্বের সার্থকতা!

Spread the love

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।