জেলা প্রথম পাতা

নাম ঘোষণা হতেই শুরু দেওয়াল লিখন, লোকসভা নির্বাচনের আঙিনা থেকেই রাজনীতিতে আত্মপ্রকাশ ঝাড়গ্রামের বীরবাহা সোরেনের

নিজস্ব প্রতিনিধি:  রাজনীতির আঙ্গিনায় কোন দিন পা রাখেননি। এবারে এই প্রথমবার রাজনীতির ময়দানে পা রাখলেন আসন্ন লোকসভা নির্বাচনের তৃণমূল প্রার্থী বিরবাহা সোরেন ( টুডু)। জীবনে প্রথমবার রাজনীতির ময়দানে নেমে মানুষের হয়ে কাজ করার সুযোগ করে দেওয়ায় জন্য মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ধন্যবাদ জানালেন বিরবাহা দেবী। এদিন মঙ্গলবার বিকেল লোকসভা নির্বাচনে তৃণমূলের সুপ্রিমো মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দলের প্রার্থী তালিকা ঘোষনা করেন। রাজ্যের বিভিন্ন লোকসভা কেন্দ্রের গত বারের অনেক সাংসদ এবার দলের পক্ষ থেকে টিকিট পাননি।ঝাড়গ্রাম লোকসভা কেন্দ্রের ক্ষেত্রেও গত বাবের সাংসদ উমা সোরেন এবার টিকিট পান নি।তার জায়গায় এবারও ঝাড়গ্রামে প্রার্থীর ক্ষেত্রে চমক রয়েছে নতুন মুখ। ঝাড়গ্রাম জেলার সাঁরকাইল ব্লকের রোহিনীর বাসিন্দা পেশায় শিক্ষিকা বীরবাহা  সোরেন(টুডু) এবার ঝাড়গ্রাম এসটি লোকসভা আসনে তৃণমূলের হয়ে দাঁড়াচ্ছেন।বীরবাহা এর আগে কখনো রাজনীতি করেন নি।

প্রথমবার জীবনে কোন নির্বাচনে প্রার্থী হচ্ছেন।জানা গিয়েছে বীরবাহা সোরেন(টুডু) এর বাপের বাড়ি ঝাড়গ্রাম জেলার জামবনি ব্লকের ছোটবনসর গ্রামে।তাঁর বাবা পদ্মলোচন সোরেন আদিবাসীদের সামজিক সংগঠন ভারত জাকাত মাঝি মাডোয়ার দেশ মাঝি ছিলেন।সংগঠনের তিনি রাজ্যের প্রধান ছিলেন।বীরবাহা সোরেন (টুডু)র স্বামী রবিন টুডু আদিবাসী সামাজিক সংগঠন ভারত জাকাত মাঝি পারগানা মহলের তিন জেলার পারগানা। বীরবাহা সাঁকরাইল ব্লকের রোহিনী উচ্চমাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষিকা।তিনি ফিজিক্যাল এডুকেশনের উপর এমে করেছেন বলে জানা গিয়েছে ।

No photo description available.

এদিন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তার নাম ঝাড়গ্রাম লোকসভা কেন্দ্রের জন্য ঘোষনা করার পর বীরবাহা বলেন “আমি রাজনীতির বাতাবরনে বেড়ে উঠিনি।এখন রাজনীতির গুরুত্ব দিতে হবে বলে ভেবেছি।তাই রাজনীতিতে নেমেছি।মাননীয়া মুখ্যমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানাই।ধন্যবাদ জানাই আপামর জনসধারণকে।মা মাটি মানুষকে এবং আদিবাসী সমাজের সমস্ত ব্যক্তি বর্গকে।মুখ্যমন্ত্রী হলেন উন্নয়নের কান্ডারি।তার সহ যোদ্ধা হতে পরে আমি নিজেকে ধন্য বলে মনে করছি,তাঁকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি।জেতার বিষয়ে আমি একশো ভাগ নিশ্চিত।কোন শক্তি হারাতে পারবে না।জেতার পর প্রথমে শিক্ষা বিষয়ে দেখব।তারপর কিভাবে উন্নয়ন করা যায় তা ভাবব।বিশেষ করে ঝাড়গ্রামে জলের সমস্যা রয়েছে।এই সব গুলো দেখব।এবং সাঁওতালি যে শিক্ষা ব্যবস্থা সেটা নিয়ে আমি দেখব।আমি গ্রামের মেয়ে,ঘরের মেয়ে তার জন্য তার জন্য কোন অসুবিধা হলে আমায় জানাবেন।আমি সবসময় পাশে আছি,থাকব সমস্ত জনসধারনের স্বার্থে।”অন্যদিকে এদিন ঝাড়গ্রামের বিদায়ী সাংসদ উমা সোরেনের কোন প্রতিক্রীয়া পাওয়া যায়নি।

Spread the love

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।