কলকাতা জেলা প্রথম পাতা

দলে ছিলাম,আছি, থাকব! শীর্ষনেতৃত্বকে পাশে নিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ওপরই আস্থা দেখালেন বিধাননগরের মেয়র সব্যসাচী দত্ত

নিজস্ব প্রতিনিধি: শুক্রবার রাতে সব্যসাচী দত্তের বাড়িতে গিয়েছিলেন বিজেপি নেতা মুকুল রায়৷ এরপর থেকেই সব্যসাচীর বিজেপিতে যোগদান নিয়ে জল্পনা ছড়ায়৷ এমনকী, শনিবার তৃণমূলের উত্তর ২৪ পরগনা জেলা কোর কমিটির বৈঠকেও গরহাজির ছিলেন বিধাননগরের মেয়র সব্যসাচী দত্ত৷ যদিও তাঁর যুক্তি ছিল, শারীরিক অসুস্থতার কারণে বৈঠকে হাজির থাকেননি তিনি৷ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নির্দেশ দেন কাউন্সিলরদের নিয়ে বৈঠক ডাকতে। দায়িত্ব দেন জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক এবং ববি হাকিমকে। অনেকেই মনে করেছিলেন, বিধাননগরের মেয়র পদে আর সব্যসাচীকে রাখবেন না মমতা। রবিবার সকালে সেই জল্পনা আরও উস্কে দিয়েছিলেন খাদ্যমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক। কিন্তু সব শোধবোধ হয়ে গেল বৈঠকে।সব উত্তেজনার অবসান। বিধাননগরের মেয়র পদে থাকছেন সব্যসাচী দত্তই। রবিবার দুপুরে শ্রীভূমি স্পোর্টিং ক্লাবে বিধাননগরের কাউন্সিলরদের বৈঠকের পর সাংবাদিক সম্মেলনে এ কথাই জানান তৃণমূল নেতৃত্ব। একপাশে জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক অন্য পাশে সুজিত বসু, মাঝে সব্যসাচীকে নিয়ে ফিরহাদ হাকিম জানিয়ে দিলেন, “মুকুল রায়ের চাল বুঝতে পারেননি সব্যসাচী। কেউ যদি বিনা নেমন্তন্নে কারও বাড়িতে ঢুকে পড়ে তাহলে তো ভদ্রতার খাতিরে বের করে দিতে পারেন না।”

সেই সঙ্গে কলকাতার মেয়র বলেন, “সব্যসাচী বুঝতে পারেননি বাইরে সংবাদমাধ্যামকে ডেকে এনে এমন কাণ্ড করছেন মুকুল রায়।”এ দিন সব্যসাচী সে দিনের ঘটনা পরম্পরা বলতে গিয়ে বলেন, “আমার একটা বদ অভ্যেস হচ্ছে আমি সব ফোন ধরি। চেনা, অচেনা সব ফোন।  শুক্রবার সন্ধে সাড়ে সাতটায় আমার কাছে একটা ফোন আসে। আমি ধরে বলি হ্যালো। ও দিক থেকেও বলে হ্যালো। তারপর বলে আমি দাদা বলছি। আমি বুঝতে পারিনি। তখন বলে, আমি মুকুলদা বলছি। আমি বলি, বলো। তখন আমায় বলেন, আমি সল্টলেকে এসেছি। তোদের সঙ্গে অনেকদিন দেখা হয় না। আমি তোর বাড়িতে যাচ্ছি। তুই কোথায়?” বিধাননগরের মেয়র আরো বলেন, ‘দলে ছিলাম, আছি, থাকব’৷ শ্রীভূমি স্পোর্টিং ক্লাবে তৃণমূলের শীর্ষ নেতৃত্বকে পাশে নিয়ে সাফ জানিয়ে দিলেন বিধাননগরের মেয়র।বললেন, ‘আমার বাড়িতে কেউ আসতে চাইলে, আমি কি তাঁকে তাড়িয়ে দেব?

Spread the love

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।