কলকাতা জেলা প্রথম পাতা

ড্যামেজ কন্ট্রোল করতে তড়িঘড়ি কালীঘাটে ছুটলেন মেয়র! মমতার দেখা না পেয়ে ফিরতে হল সব্যসাচীকে

নিজস্ব প্রতিনিধি: বঙ্গ রাজনীতিতে তৃণমূলের বিধায়ক সব্যসাচী দত্ত ও মুকুল রায়ের সুসম্পর্কের কথা কারুর অজানা নয়। এমনকি কানাঘুষো শোনা যায় সব্যসাচী দত্ত নাকি মুকুল রায়কে তাঁর রাজনৈতিক গুরু হিসাবেই মানেন। কিন্তু বর্তমানে মুকুল রায় বঙ্গ বিজেপির প্রথমসারির নেতাদের অন্যতম।  শুক্রবার রাতে বিধাননগরের মেয়র সব্যসাচী দত্তের বাড়িতে পৌছে যান বিজেপি নেতা মুকুল রায়। শুধু তাই নয় প্রায় দেড় ঘন্টা দুজনের মধ্যে আলোচনাও হয়েছে। তবে নির্বাচনের আগে সব্যসাচী-মুকুল এই সাক্ষাতকে যে তৃণমূল ভালোভাবে নেয় নি তা কার্যত নিশ্চিত। এদিকে রবিবার সকালেই সব্যসাচী দত্তের বাড়িতে পৌছে যান তৃণমূলের দোলা সেন। আজ ফিরহাদ হাকিম বিধাননগরের কাউন্সিলারদের নিয়ে বৈঠক করবেন তার আগে সব্যসাচীর মন বুঝতে তাঁর বাড়িতে যান দোলা।তবে জানা গিয়েছে,  দোলা সেনকে নিয়ে সঙ্গে নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কালীঘাটের বাড়িতেও পৌছে গিয়েছিলেন সব্যাসাচী। কিন্তু দেখা করেননি মমতা। জানা গিয়েছে, রাজ্যসভার সাংসদ দোলা সেন এবং বিধাননগরের মেয়র সব্যাসাচী দত্ত  দু’জন মিলে যান দলনেত্রীর সঙ্গে দেখা করতে। কিন্তু ফিরে আসতে হয় দু’জনকেই।

প্রসঙ্গত ভোটের আগে মুকুল রায় এবং সব্যসাচী দত্তের ভুরিভোজকে মোটেই সৌজন্য হিসেবে দেখছে রাজনৈতিক মহল। দেখছেন না স্বয়ং মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও। তাঁর নির্দেশেই রবিবার বিকেলে শ্রীভূমি স্পোর্টিং ক্লাবে বিধাননগরের কাউন্সিলরদের মিটিং ডেকেছেন। সেখানে থাকবেন জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক এবং ফিরহাদ হাকিম। অনেকের মতে, সব্যাসাচী ব্যাপারটা আঁচ করতে পেরেই দোলা সেনকে সঙ্গে নিয়ে সোজা পৌছে যান দলনেত্রীর বাড়িতে। সম্ভবত তৃণমূল নেতৃত্বকে তিনি বোঝাতে চাইছেন মুকুলের সঙ্গে সাক্ষাৎ নিছকই সৌজন্য। তাই দলনেত্রীর বাড়িতে দরবার করতে গিয়েছিলেন বলে মত শাসক দলের শীর্ষ নেতাদের।

তবে এই প্রসঙ্গে জেলা তৃণমূলের সভাপতি তথা রাজ্যের খাদ্যমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক বলেন, সব্যসাচী মেয়র। কাউন্সিলরদের থেকে মতামত নেওয়া হবে। আমাদের ৩৯ জন কাউন্সিলরকে ডেকেছি। আমরা জানতে চাইব তাঁরা কী চাইছেন। তাদের মতামত কি।

 

Spread the love

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।