প্রথম পাতা

কমিশন সন্তুষ্ট নয় বাবুলের উত্তরে

প্রেক্ষাগৃহে দেখানো যাবে অভিনেতা-অভিনেত্রীদের ছায়াছবি

নিজস্ব প্রতিনিধি— থিম সং নিয়ে বাবুল সুপ্রিয়র শো-কজের উত্তরে সন্তুষ্ট নয় নির্বাচন কমিশন। থিম সং-এর সমস্ত সিডি খতিয়ে দেখেছে নির্বাচন কমিশন। যদিও বাবুল সুপ্রিয় দাবি করেছেন, তিনি কোনও নির্বাচনী বিধি ভঙ্গ করেননি। বাবুল যা কিছু দাবি করুন না কেন, তাঁর থিম সং-এর যাবতীয় সিডি দিল্লিতে পাঠানো হচ্ছে। কমিশনের বক্তব্য, সিডি নিয়ে কমিশনের কোনও অনুমতি ছিল না। যেকারণেই সমস্ত কিছু খতিয়ে দেখতে এব্যাপারে যাবতীয় কাগজপত্র দিল্লিতে পাঠানো হচ্ছে। অন্যদিকে কেন্দ্রীয় বাহিনী নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্য করার দায়ে মন্ত্রী রবীন্দ্রনাথ ঘোষকে শো-কজ করা হয়েছে। শো-কজের উত্তর পাঠিয়েছেন তিনি। মন্ত্রীর উত্তর খতিয়ে দেখছে কমিশন। আসানসোলের মেয়র জিতেন্দ্রনাথ তেওয়ারির ভূমিকাও গুরুত্ব দিয়ে খতিয়ে দেখছেন নির্বাচন কমিশনের কর্তারা।

এদিকে লোকসভা নির্বাচনে একাধিক চিত্রাভিনেত্রী নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। ঘাটালে প্রার্থী হয়েছেন অভিনেতা দেব। শুধু দেবই নন, মিমি চক্রবর্তী, নুসরত জাহান, মুনমুন সেন, লকেট চ্যাটার্জি, বাবুল সুপ্রিয়র মতো অনেকেই এবারের নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। কমিশনের দফতরে প্রেক্ষাগৃহে চলচ্চিত্র প্রদর্শন নিয়ে অভিযোগ জমা পড়েছে। শুক্রবার নির্বাচন কমিশনের অতিরিক্ত আধিকারিক সঞ্জয় বসু জানিয়েছেন, অভিনেতা-অভিনেত্রীদের ছায়াছবি প্রেক্ষাগৃহে দেখানো যাবে, তবে দূরদর্শনে কোনও প্রচার করা যাবে না। কমিশনের সিদ্ধান্তে নির্বাচনে অংশগ্রহণকারী অভিনেতা এবং অভিনেত্রীদের ছায়াছবি প্রেক্ষাগৃহে দেখানোর আর কোনও বাধা থাকল না।

আগামী ১১ এপ্রিল থেকে প্রথম দফার নির্বাচন হতে চলেছে। এই নির্বাচনে শুক্রবার মোট দশ প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। এদিকে নির্বাচনের দিন যত এগিয়ে আসছে কালো টাকা উদ্ধার নিয়ে ততই উদ্বেগ বাড়ছে কমিশনের। কমিশন কর্তারা জানিয়েছেন, এখনও পর্যন্ত ৭০ লক্ষ ৩১ হাজার ৫৯৩ হাজার কালো টাকা উদ্ধার করা হয়েছে। ৯৮টি বন্দুক এবং ৩৯৫টি আগ্নেয়াস্ত্র এবং ৩৫৬ লিটার চোলাই মদ আটক করা হয়েছে। প্রচুর কালো টাকা উদ্ধার নিয়ে কমিশন জানিয়েছে, এই দেখেই বোঝা যাচ্ছে কমিশন ভালো কাজ করছে। এতে তাদের সুবিধা হবে। নির্বাচনের আগে এই সমস্ত টাকা এবং আগ্নেয়াস্ত্র কোথা থেকে আসছে, সেব্যাপারেও খোঁজখবর করতে শুরু করেছেন এক্সপেনডিচার পর্যবেক্ষকরা। কমিশন জানিয়েছে, সি-ভিজিল অ্যাপসের মাধ্যমে মোট ১৪২৬টি অভিযোগ জমা পড়েছিল। এর মধ্যে ৮২২টি অভিযোগের নিষ্পত্তি করা সম্ভব হয়েছে। অন্যদিকে এনজিএসে জমা পড়া ৫৮৮টি অভিযোগের মধ্যে ৪০৩ এবং সিটিজেন অ্যাপসে জমা পড়া ৭৮৭টি অভিযোগের মধ্যে ৫৩৯টি অভিযোগের নিষ্পত্তি করা সম্ভব হয়েছে।

Spread the love

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।