দেশ প্রথম পাতা

কবে ফের দুঃসাহসী বীর উড়তে পারবেন আকাশে! উইং কমান্ডার অভিনন্দন

নিজস্ব প্রতিনিধি : প্রায় ৫৪ ঘন্টা পর সসম্মানে দেশে ফিরেছেন উইং কমান্ডার অভিনন্দন বর্তমান। তাঁকে স্বাগত জানাতে ওয়াঘা সীমান্তে ভিড় জমিয়ে ছিল বহু সাধারণ মানুষ।  তবে তাঁদের একটাই প্রশ্ন, আবার কবে যুদ্ধবিমানের ককপিটে উঠবেন অভিনন্দন?

অভিনন্দন এখন ভাল আছেন বলে জানিয়েছে বায়ুসেনা। পাকিস্তানি সেনার হাতে থেকে মুক্তি পাওয়ার পর দিল্লির সেনা হাসপাতালে এখন চিকিত্সা চলছে বায়ুসেনা পাইলট অভিনন্দন বর্তমানের। তাঁর শারীরিক ও মানসিক পরীক্ষা করা হচ্ছে। জোর দেওয়া হচ্ছে মানসিক পরীক্ষার ওপরে।সব ঠিক থাকলে দু’দিন বাদে তাঁকে হাসপাতাল থেকে ছাড়া হবে।

10

প্রাক্তন এয়ার মার্শাল ভি কে ভাটিয়া এ ব্যাপারে সংবাদমাধ্যমে বলেন, ‘’ইজেকশনের সময় সাধারণভাবে পাইলটের পিঠ আঘাত লাগে। তবে ভিডিওতে যেরকম দেখা যাচ্ছে তাতে তাকে ফিট বলেই মনে হয়। তাই ‘ডিব্রিফিং’ শেষ হওয়ার পরই বায়ুসেনায় ফিরতে পারেন অভিনন্দন’’।

বিশেষজ্ঞদের মতে, ভেঙে পড়া বিমান থেকে ‘ইজেক্ট’ করার সময়ে মেরুদণ্ডে চাপ পড়ার সম্ভাবনা থেকে যায়। তাই অভিনন্দনের মেরুদণ্ডে ও মাথায় কোনও আঘাত রয়েছে কি না, তা দেখার জন্য আজ এমআরআই স্ক্যান করা হয়।

8

প্রতিরক্ষা সূত্র জানিয়েছে,  হাসপাতাল থেকে ছাড়া পাওয়ার পরে ফের এক দফা ডি-ব্রিফিংয়ের মুখোমুখি হতে হবে অভিনন্দনকে। সেখানে বায়ুসেনার পদস্থ কর্তারা ছাড়াও উপস্থিত থাকবেন গোয়েন্দারা। তাঁর কাছে জানতে চাওয়া, তার ওপরে কোনও শারীরিক অত্যাচার করা হয়েছে কিনা। পাশাপাশি জানতে চাওয়া হয় কী ধরনের কথাবার্তা হয়েছে পাক সেনা অফিসারদের সঙ্গে। সাধারণত একে বলা হয়ে ডিব্রিফিং।

অভিনন্দন জানান, তাঁকে পৃথক একটি সেলে আটক করে রাখা হয়েছিল। দেওয়া হয়নি, ফোন, টিভি বা খবরের কাগজ। ভিডিয়োয় পাক সেনার প্রশংসা করার জন্য চাপ দেওয়া হয়েছিল। অনেক কিছুই তিনি বলতে চাননি।

প্রতিরক্ষা সূত্রের মতে, সব উত্তর সন্তোষজনক হলে এবং নিজেকে মানসিক ভাবে ‘ফিট’ প্রমাণ করতে হবে অভিনন্দনকে।

এর পর নিজের ইউনিটে ফিরে যুদ্ধবিমান চালানোর অনুমতি পাবেন অভিনন্দন। ফের দুঃসাহসী বীর উড়তে পারবেন আকাশে।

Spread the love

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।