প্রথম পাতা

কত জন জঙ্গি মারা হয়েছে বিমান হানায় তা জানানো উচিত সরকারের! রাজনীতির জন্য যুদ্ধ চাই না: নবান্ন থেকে বেরিয়ে বললেন মমতা

নিজস্ব প্রতিনিধি:  মঙ্গলবার ভোর রাতে পাকিস্তানের বালাকোটে জইশ ই মহম্মদের জঙ্গি ঘাঁটি গুঁড়িয়ে দিয়েছিল ভারতীয় সেনাবাহিনী। তার পর সাংবাদিক বৈঠক করে সে কথা জানিয়েছিলেন, বিদেশ সচিব বিজয় গোখলে। তার পর থেকে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে বলা হয়, বিমান হানায় প্রায় তিনশ জইশ জঙ্গিকে খতম করেছে ভারতীয় বায়ু সেনা।কিন্তু ৪৮ ঘন্টা পর বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সরাসরি প্রশ্ন তুললেন, এতো জঙ্গিকে মারা হয়েছে বলে দাবি করা হচ্ছে, কই কোনও ছবি তো দেখলাম না। দেশের মানুষ তো প্রশ্ন তুলছে। তিনি এও বলেন, কত জন জঙ্গি মারা হয়েছে বিমান হানায়, আদৌ কোনও লোককে মারা হয়েছে কিনা, বোম ঠিক জায়গায় কি পড়েছে তা জানানো উচিত সরকারের।

নবান্ন থেকে বেরানোর মুখে বৃহস্পতিবার মুখ্যমন্ত্রী বলেন,”যুদ্ধ, যুদ্ধ করছে! মিডিয়া যুদ্ধ করছে। আজ পর্যন্ত বিরোধী দলগুলির সঙ্গে একটাও বৈঠক করেননি। পুলওয়ামার ঘটনার পর এয়ার স্ট্রাইকে কত জন এবং কারা মারা গিয়েছে, জানতে চাই। আসল ঘটনা কী?”নাম না করেই নরেন্দ্র মোদীকে নিশানা করলেন মুখ্যমন্ত্রী। মনে করিয়ে দেন, দেশমাতাকে ভালবাসি। জওয়ানদের রক্ত নিয়ে রাজনীতি করতে চাই না। ভোটের ফায়দা তোলার জন্য রাজনীতি হচ্ছে।মমতা আরও বলেন, ”ওয়াশিংটন পোস্ট, রয়টারের মতো বিদেশি সংবাদমাধ্যম বলছে এমন কোনও ঘটনাই ঘটেনি। বোমায় মানুষ মারা যায়নি। কেউ বলছে একজন মারা গিয়েছে। সত্যটা কী? আমরা সেনার সঙ্গে আছি। আমরা চাই, সেনাকে সত্যি কথাটা বলার সুযোগ করে দেওয়া হোক। রাজনীতির প্রয়োজনে যুদ্ধ চাই না। নির্বাচন জেতার জন্য যুদ্ধ চাই না”। 

এ দিন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের রাজনীতির প্রতিফলন দেখতে পাচ্ছেন অনেকে। মমতা এ দিন বলেন, আমরা ফোর্সের সাথে আছি। রাজনীতির জন্য যুদ্ধ চাই না। যদি দেশের জন্য যুদ্ধ হয় তা হলে দেশের সঙ্গে রয়েছি।তৃণমূলনেত্রীর বক্তব্য, গত পাঁচ বছরে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে এমন কোনও পদক্ষেপ তো মোদী সরকার নেয়নি। হঠাৎ করে তা হলে কেন এ সব হচ্ছেওদের রাজনীতিটা ধরে ফেলেছে মানুষ।

 

 

Spread the love

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।