জেলা প্রথম পাতা

উন্নয়নে বাধা: অভিযোগ আরএসপি’র বিরুদ্ধে

নিজস্ব প্রতিনিধি— সদ্য পুরসভায় পা দেওয়া চকভৃগুর বাসিন্দাদের প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনার প্রাপ্য থেকে বঞ্চিত করার চেষ্টার অভিযোগ উঠল আরএসপি’র বিরুদ্ধে। শুরুতেই উন্নয়ন কাজ আটকে দিতে পুরপ্রশাসনকে নালিশ জানিয়েছে তারা। প্রতিবাদ করেছেন বিদায়ী পুরবোর্ডের নেতৃত্ব। লোকসভা ভোটেই বিরোধীদের চরম জবাব দেবে চকভৃগুর বাসিন্দা বলে দাবি তৃণমূলের।

গত আগস্ট মাসে চকভৃগুর চারটি মৌজা বালুরঘাট পুরসভায় অন্তর্ভুক্তির নোটিফিকেশন জারি করে নগরোন্নয়ন দফতর। এরপরেই রাজ্য নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে নোটিশ জারি করে চকভৃগুকে যুক্ত করেই হয় ওয়ার্ড চিহ্নিতকরণ। বালুরঘাট শহর লাগোয়া চকভৃগুর দ্রুত উন্নয়ন করতে ২০১৮-১৯ অর্থবর্ষের হাউস-ফর-অলের তালিকায় প্রায় ১০০ জন উপভোক্তার নাম রাখে বিদায়ী তৃণমূল বোর্ড। সেই তালিকা রাজ্য নগর উন্নয়ন থেকে অনুমোদিত হয়ে এলেও শুধুমাত্র বিদায়ী বোর্ডকে বিপাকে ফেলতে গরিব উপভোক্তাদের বিপক্ষে দাঁড়িয়েছে আরএসপি বলে অভিযোগ শাসক দলের।

সূত্রের খবর, আরএসপির কাউন্সিলরা অভিযোগ করেছেন যে পুরসভার বাসিন্দা নয় এমন মানুষজনকে ঘর পাইয়ে দিয়েছে বিদায়ী পুরোবোর্ড। পুরসভার প্রশাসক ঈশা মুখার্জির কাছে লিখিত অভিযোগ দায়েরও হয়েছে। ফলে বাধ্য হয়েই চকভৃগুর চারটি মৌজা বাদ রেখে গৃহ নির্মাণের কাজ চালিয়ে যাওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন ঈশা। আর এই ঘটনার পরেই বিরোধীদের বিরুদ্ধে সুর চড়িয়েছেন শাসক দলের নেতৃত্ব থেকে চকভৃগুর বাসিন্দারা। জেলা তৃণমূল যুব কংগ্রেস কার্যকরী সভাপতি দেবপ্রিয় সমাজদার বলেন, আরএসপি কোনও দিন চায়নি চকভৃগুর মানুষ ভালো পরিষেবা পাক। তাই ভিত্তিহীন অভিযোগ তুলে গরিবদের বঞ্চিত করার চেষ্টা হচ্ছে। সম্পূর্ণ নিয়ম মেনেই কাজ হয়েছে। সঠিক জবাব দেবে সাধারণ মানুষই। প্রাক্তন প্রধান উত্তম মহন্ত জানিয়েছেন, এইভাবে চকভৃগুর মানুষদের বঞ্চিত করা ঠিক নয়। তিনি বলেন, চকভৃগুর এখন পঞ্চায়েত নয়, বালুরঘাট পুরসভার অন্তর্ভুক্ত হয়েছে। লোকসভা নির্বাচনের পরেই এলাকা বালুরঘাট পুরসভার মধ্যে চলে আসবে।

বিদায়ী এমসিআইসি দেবজিৎ রঞ্জন রুদ্র জানিয়েছেন, এই টাকা ২০১৮-১৯ অর্থবর্ষের। এলাকা পুরসভার অন্তর্ভুক্ত হলেই সব উপভোক্তার কাছে বাড়ির টাকা তুলে দেবেন কর্তৃপক্ষ। বিরোধীদের ভিত্তিহীন অভিযোগ তোলা ঠিক হয়নি।

Spread the love

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।