জেলা প্রথম পাতা

‘আমেরিকা থেকে বাহিনী এলেও কিছু করতে পারবে না’! কেষ্ট

নিজস্ব প্রতিনিধি— শুক্রবার সাতসকালে কেন্দ্রীয় বাহিনীর টহল শুরু হয়ে গেল কেষ্টর গড়ে। এতে আমজনতা আশার আলো দেখলেও, আশ্বস্ত হতে পারছে না বিরোধীরা। পুরোনো অভিজ্ঞতা থেকে তাঁদের বক্তব্য, না আঁচালে বিশ্বাস নেই। বাহিনী নিয়ে অবশ্য মাথাব্যাথা নেই কেষ্টর। তাঁর সাফ কথা, ‘আমেরিকা থেকে বাহিনী এলেও কিছু করতে পারবে না।’

বৃহস্পতিবার রাতেই বীরভূমে ঢুকেছে কেন্দ্রীয় বাহিনী। শুক্রবার সকালে মহম্মদ বাজারের রামপুর পঞ্চায়েতের বিভিন্ন এলাকায় টহল শুরু করে তাঁরা। শুধু রুটমার্চ করা নয়, যে কোনও পরিস্থিতির মোকাবিলায় তাঁদের ব্যবহার করা হবে বলে পুলিশ সূত্রে খবর। অত্যাধুনিক অস্ত্রের সঙ্গে মর্টারও রয়েছে তাঁদের কাছে। যা বোমা বর্ষণ করতে সক্ষম। এ দিন রামপুরের প্রতিটি গ্রামে কেন্দ্রীয় বাহিনীর সঙ্গে ছিলেন রামপুরহাটের এসডিপিও সৌম্যদীপ বড়ুয়া। জেলা পুলিশ সূত্রে খবর, আপাতত বীরভূমের মহম্মদ বাজারে এক কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে।

গত পঞ্চায়েত নির্বাচনে বীরভূমে শুধু আস্ত জেলা পরিষদ দখলই নয়, বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জেলার ১৬৭টি পঞ্চায়েতের মধ্যে ১৬৪টি পঞ্চায়েত দখল করেছিল তৃণমূল। ১৯টি পঞ্চায়েত সমিতি একতরফা ভাবে তৃণমূল দখল করেছিল বলে সেই সময় অভিযোগ করে বিরোধীরা। পঞ্চায়েত ভোটের মনোনয়ন ঘিরে মহম্মদ বাজার, সিউড়ি ১ ব্লক, নলহাটির মতো একাধিক ব্লকে বোমা-গুলির লড়াই চলে। এ বার তাই লোকসভা ভোটের আগে ‘ইয়া বড়ো জওয়ানদের’ দেখে খুশি গণপুর গ্রামের কৃষক বুধন হেমব্রম। তিনি বলেন, ‘পঞ্চায়েত ভোটে কী যে অশান্তি হয়েছে তা বলার নয়। মারামারি, বোমাবাজি সব চলেছে। এ বার ভোটের আগেই মিলিটারি চলে আসায় অশান্তি কমবে।’

Spread the love

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।